শান্তর সেঞ্চুরি মানেই সাধারণত দুই হাত প্রসারিত করে 'আকাশে ওড়ার' ভঙ্গি। কিন্তু বৃহস্পতিবার সাগরিকায় ক্লান্তি এতটাই গ্রাস করেছিল যে, ট্রেডমার্ক উদযাপনটি আর দেখা যায়নি। কেবল ব্যাট উঁচিয়ে চুমু খেয়ে এবং ড্রেসিংরুমের দিকে ব্যাট তুলে ধরেই নিজের তৃপ্তি প্রকাশ করেন তিনি। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০২৪ সালে এই মাঠেই সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি; কাকতালীয়ভাবে নিজের চতুর্থ সেঞ্চুরিটির জন্যও তিনি বেছে নিলেন এই চেনা ভেন্যুকেই।
ব্যাট হাতে লড়াই: পায়ের ক্র্যাম্প আর প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও শান্তর এই লড়াই নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশ দলকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ এই সেঞ্চুরিটি তাঁর ফর্ম নিয়ে ওঠা অনেক সমালোচনার জবাব হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
সংঘর্ষ চলাকালীন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা ছাত্রদলের একটি স্থানীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে। পরে শিবিরের নেতাকর্মীরা লাঠি ও কাঠের বাটাম নিয়ে রেলগেট এলাকায় গিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি: এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।
কেন ২০ হাজার টাকা একটি ভালো শুরু?
বাংলাদেশের বাজারে ২০,০০০ টাকা ছোট মনে হলেও এটি দিয়ে অনেক ধরনের সেবা বা পণ্য ব্যবসা শুরু করা যায়। বিশেষ করে ডিজিটাল ব্যবসা, সেবামূলক ব্যবসা এবং খাদ্য-সংক্রান্ত ব্যবসায় এই পুঁজি যথেষ্ট। সরকারের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্প ও SME ঋণ সুবিধা পেলে পুঁজি আরও বাড়ানো সম্ভব।
মনে রাখবেন — ব্যবসার সাফল্য শুধু পুঁজির উপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে দক্ষতা, ধৈর্য এবং বাজার বোঝার উপর।
২০ হাজার টাকায় শুরু করার যোগ্য সেরা ১৫টি ব্যবসা
১. হোম ডেলিভারি ফুড বিজনেস (ঘরে রান্না করা খাবার)
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৮,০০০–১২,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ১৫,০০০–৩৫,০০০+ | ঝুঁকি: কম
বাসায় বসে রান্না করা খাবার অফিসে বা বাড়িতে ডেলিভারি দেওয়া এখন অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাংলাদেশে টিফিন সার্ভিস, বিরিয়ানি, হোম-কুক মিল ও কেক-পেস্ট্রি ব্যবসার চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কাঁচামাল কেনা, প্যাকেজিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং মিলিয়ে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শুরু করা যায়। ফেসবুক গ্রুপ এবং WhatsApp-এর মাধ্যমে অর্ডার নিলে আলাদা কোনো শপ লাগে না।
২. ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল সার্ভিস
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৫,০০০–১৫,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ২০,০০০–১,০০,০০০+ | ঝুঁকি: খুবই কম
গ্রাফিক ডিজাইন, ডেটা এন্ট্রি, কন্টেন্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিং বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে Fiverr, Upwork বা স্থানীয় মার্কেটে কাজ শুরু করা যায়। বিনিয়োগের বেশিরভাগ যাবে ভালো ইন্টারনেট সংযোগ ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার কেনায়। এটি বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সবচেয়ে স্কেলেবল ব্যবসা।
৩. মোবাইল ফোন অ্যাক্সেসরিজ ও মিনি রিচার্জ শপ
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১২,০০০–১৮,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ৮,০০০–২০,০০০ | ঝুঁকি: কম-মধ্যম
মোবাইল কভার, চার্জার, ইয়ারফোন, স্ক্রিন গার্ড ইত্যাদি অ্যাক্সেসরিজ পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করা একটি সহজ ও কার্যকর ব্যবসা। সাথে বিকাশ, নগদ বা রকেট এজেন্ট হিসেবে মোবাইল রিচার্জ সেবা যোগ করলে আয় আরও বাড়বে। বাড়ির সামনে বা হাটবারে একটি ছোট্ট স্টল দিয়েই শুরু করা যায়।
৪. সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক পোশাক ব্যবসা (অনলাইন শপ)
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১০,০০০–২০,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ১০,০০০–৫০,০০০+ | ঝুঁকি: মধ্যম
ফেসবুক পেজ বা ইনস্টাগ্রামে থ্রি-পিস, কুর্তা, শাড়ি বা ট্রেন্ডি পোশাক বিক্রির ব্যবসা এখন বাংলাদেশে বিপ্লব এনেছে। ঢাকার চকবাজার, ইসলামপুর বা নারায়ণগঞ্জ থেকে পাইকারি মাল কিনে অনলাইনে বিক্রি করলে ৩০–৫০% লাভ রাখা সম্ভব। ড্রপশিপিং মডেলেও শুরু করা যায়, যেখানে স্টক রাখার ঝামেলা নেই।
৫. ব্লগিং ও ইউটিউব কন্টেন্ট ক্রিয়েশন
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৫,০০০–১৫,০০০ টাকা | দীর্ঘমেয়াদি আয়: অসীম সম্ভাবনা | ঝুঁকি: কম
একটি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট কানেকশন দিয়েই শুরু হতে পারে ব্লগিং বা ইউটিউব চ্যানেল। রান্না, ভ্রমণ, প্রযুক্তি, ইসলামিক কন্টেন্ট বা শিক্ষামূলক ভিডিও — যেকোনো বিষয়ে নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি করলে ৬–১২ মাসের মধ্যে আয় শুরু হয়। YouTube AdSense, স্পনসরশিপ ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় আসে।
৬. টিউটরিং ও কোচিং সেন্টার
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ২,০০০–৮,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ১৫,০০০–৪০,০০০ | ঝুঁকি: খুবই কম
যদি আপনি কোনো বিষয়ে দক্ষ হন — ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান বা কম্পিউটার — তাহলে বাড়িতেই কোচিং শুরু করুন। শুধু হোয়াইটবোর্ড, মার্কার ও কিছু বই দিয়ে শুরু করা যায়। অনলাইনে Zoom বা Google Meet-এ ক্লাস নিলে খরচ আরও কম। ঢাকা ও অন্যান্য শহরে ১০–২০ জন শিক্ষার্থী নিয়েও ভালো মাসিক আয় হয়।
৭. হস্তশিল্প ও হ্যান্ডমেড পণ্য বিক্রি
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৫,০০০–১০,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ৮,০০০–২৫,০০০ | ঝুঁকি: কম
মাটির তৈরি পণ্য, জুট আর্ট, কাঁথা স্টিচ, নকশিকাঁথা, হ্যান্ডমেড জুয়েলারি — এসব বাংলাদেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা আছে। ফেসবুক পেজ ও Etsy-তে বিক্রি করে অনেকে দেশে বসেই বিদেশে রপ্তানি করছেন। কম বিনিয়োগে শুরু করে ধীরে ধীরে বড় করা সহজ।
৮. মুদি দোকান বা মিনি সুপারশপ
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১৫,০০০–২০,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ১০,০০০–২৫,০০০ | ঝুঁকি: কম-মধ্যম
আবাসিক এলাকায় ছোট একটি মুদি দোকান এখনও বাংলাদেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যবসা। চাল, ডাল, তেল, মশলা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুদ করে শুরু করা যায়। স্থানীয় পাইকারি বাজার থেকে সরাসরি কিনলে মুনাফা ১৫–২৫%। হোম ডেলিভারি যুক্ত করলে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা যায়।
৯. ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি সার্ভিস
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১০,০০০–২০,০০০ টাকা | প্রতি অনুষ্ঠান আয়: ৩,০০০–১৫,০০০ | ঝুঁকি: কম
একটি ভালো স্মার্টফোন ক্যামেরা বা সেকেন্ড-হ্যান্ড DSLR দিয়েও ফটোগ্রাফি ব্যবসা শুরু হয়। বিবাহ অনুষ্ঠান, আকিকা, জন্মদিন, কর্পোরেট ইভেন্ট এবং পণ্যের ফটোশুটের চাহিদা সারা বছর থাকে। Adobe Lightroom বা CapCut দিয়ে এডিটিং শিখলে আলাদা ভ্যালু যুক্ত হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোর্টফোলিও তৈরি করলে অর্ডার নিজেই আসে।
১০. সৌন্দর্যচর্চা ও বিউটি পার্লার
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১২,০০০–২০,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ১৫,০০০–৪৫,০০০ | ঝুঁকি: কম
মহিলাদের জন্য বাড়িতে বিউটি পার্লার বা হোম সার্ভিস বিউটিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করা একটি দ্রুত লাভজনক ব্যবসা। থ্রেডিং, ফেশিয়াল, মেহেদি ডিজাইন, ব্রাইডাল মেকআপ — এসব সেবার চাহিদা অনেক বেশি। পেশাদার ট্রেনিং কোর্স করে (৫,০০০–১০,০০০ টাকায়) দ্রুত আয় শুরু করা সম্ভব।
১১. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও রিসেলিং
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৩,০০০–৮,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ৫,০০০–৩০,০০০+ | ঝুঁকি: কম
Daraz, Shajgoj বা বিভিন্ন বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যোগ দিয়ে পণ্য প্রচার করলে কমিশন আয় হয়। নিজে কোনো পণ্য না রেখেও শুধু লিংক শেয়ার করে আয় করা যায়। Daraz Affiliate বা Shajgoj-এর প্রোগ্রামে যোগ দেওয়া সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
১২. হার্বাল ও অর্গানিক পণ্য তৈরি ও বিক্রি
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৮,০০০–১৫,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ১০,০০০–৩০,০০০ | ঝুঁকি: কম
অ্যালোভেরা জেল, নারকেল তেল, হলুদ সাবান, হার্বাল হেয়ার অয়েল বা মধু — এসব প্রাকৃতিক পণ্যের চাহিদা বাংলাদেশে ক্রমেই বাড়ছে। গ্রামাঞ্চলে উপকরণ সস্তায় পাওয়া যায়। সুন্দর প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিং করলে শহরে বেশি দামে বিক্রি সম্ভব।
১৩. প্রিন্টিং ও ডিজাইন সার্ভিস (কাস্টম টি-শার্ট, ব্যানার)
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১৫,০০০–২০,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ১২,০০০–৩০,০০০ | ঝুঁকি: মধ্যম
কাস্টম টি-শার্ট, ব্যানার, ভিজিটিং কার্ড, স্টিকার ও মগ প্রিন্টিং সার্ভিসের চাহিদা কর্পোরেট ও ব্যক্তিগত — দুই ক্ষেত্রেই বেশি। ছোট একটি হিট প্রেস মেশিন বা থার্ড-পার্টি প্রিন্টার ব্যবহার করে কম বিনিয়োগে শুরু করা যায়। Fiverr বা লোকাল মার্কেটে অর্ডার নেওয়া যায়।
১৪. ছাদ বাগান ও নার্সারি ব্যবসা
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৫,০০০–১২,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ৫,০০০–২০,০০০ | ঝুঁকি: কম
ফুলের চারা, সবজি চারা, ইনডোর প্লান্ট, সাকুলেন্ট — এসব গাছের ব্যাপক চাহিদা শহরে বাড়ছে। বাড়ির ছাদে বা উঠানে কম জায়গায় শুরু করা যায়। Facebook ও বিভিন্ন গার্ডেনিং গ্রুপে বিক্রি করে ভালো আয় হয়। সরবরাহ মূল্যের ৩–৪ গুণ দামে বিক্রি করা সম্ভব।
১৫. মুরগি বা মাছ চাষ (মিনি ফার্ম)
প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১০,০০০–২০,০০০ টাকা | মাসিক আয়: ৮,০০০–২৫,০০০ | ঝুঁকি: মধ্যম
গ্রামাঞ্চলে বা শহরতলিতে ছোট পরিসরে ব্রয়লার বা সোনালি মুরগির খামার বা ছোট পুকুরে তেলাপিয়া-পাঙাশ চাষ শুরু করা যায়। স্থানীয় বাজারে সরাসরি বিক্রি করলে মধ্যস্থতাকারীর কমিশন বাঁচে। সরকারি কৃষি বিভাগ থেকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ পাওয়া যায়।
সফল ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস
বাজার যাচাই আগে: ব্যবসা শুরুর আগে আপনার টার্গেট কাস্টমার কারা, তাদের চাহিদা কী — তা ভালো করে বুঝুন।
ছোট শুরু করুন: পুরো ২০ হাজার একসাথে না ঢেলে ছোট পরিসরে পরীক্ষা করুন, সফলতা পেলে বাড়ান।
ডিজিটাল উপস্থিতি জরুরি: ফেসবুক পেজ, WhatsApp Business বা Google My Business — অন্তত একটি তৈরি করুন।
হিসাব রাখুন: প্রতিটি আয়-ব্যয়ের খাতা বা স্প্রেডশিট মেইনটেইন করুন, যাতে ব্যবসার অবস্থা বুঝতে পারেন।
নেটওয়ার্কিং করুন: স্থানীয় উদ্যোক্তা গ্রুপ, SME ফোরাম বা ফেসবুক বিজনেস গ্রুপে যোগ দিন।
গ্রাহক সেবা সর্বোচ্চ: ছোট ব্যবসায় গ্রাহকের মুখের কথা (Word of Mouth) সবচেয়ে বড় মার্কেটিং।
ধৈর্য ধরুন: বেশিরভাগ ব্যবসায় প্রথম ৩–৬ মাস কম লাভ হয়, তাই হাল না ছেড়ে লেগে থাকাই ভালো।
সাবধান থাকুন
কিছু "দ্রুত আয়ের" স্কিম বা MLM (মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং) কোম্পানি ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করালেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লোকসান হয়। যেকোনো ব্যবসায় যোগ দেওয়ার আগে ভালোভাবে যাচাই করুন। ব্যবসায়িক লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন বা সিটি কর্পোরেশনের সাথে কথা বলুন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: বাংলাদেশে ২০ হাজার টাকায় সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি?
দক্ষতা থাকলে ফ্রিল্যান্সিং ও টিউটরিং সবচেয়ে বেশি লাভজনক, কারণ মূলধন প্রায় পুরোটাই ফিরে আসে। খাদ্য ব্যবসায় (হোম ডেলিভারি) স্থিতিশীল ও নিয়মিত আয় হয়। আপনার দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী সঠিক ব্যবসা বেছে নিন।
প্রশ্ন: ব্যবসার জন্য কি ট্রেড লাইসেন্স দরকার?
হ্যাঁ, বেশিরভাগ ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে ঘরে বসে ছোট পরিসরে অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে শুরুতে নাও লাগতে পারে। ব্যবসা বড় হলে অবশ্যই লাইসেন্স নেওয়া উচিত।
প্রশ্ন: কম পুঁজিতে ব্যবসার জন্য কি ব্যাংক ঋণ পাওয়া যায়?
হ্যাঁ। বাংলাদেশ সরকারের SME ফাউন্ডেশন, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও (যেমন ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক) ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কম সুদে ঋণ দেয়। তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকেও সহায়তা পাওয়া যায়।
প্রশ্ন: অনলাইন ব্যবসায় পেমেন্ট কীভাবে নেব?
বিকাশ, নগদ, রকেট, ক্যাশঅন ডেলিভারি বা সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার — যেকোনো পদ্ধতিতে পেমেন্ট নেওয়া যায়। বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে পেশাদারভাবে পেমেন্ট নেওয়া সুবিধাজনক।
প্রশ্ন: মহিলাদের জন্য ঘরে বসে কোন ব্যবসা ভালো?
মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য হোম ফুড ডেলিভারি, বিউটি পার্লার, হ্যান্ডমেড পণ্য তৈরি, অনলাইন পোশাক শপ এবং টিউটরিং সবচেয়ে উপযুক্ত। এগুলো ঘরে বসেই পরিচালনা করা যায় এবং পরিবারের পাশাপাশি সামলানো সম্ভব।
উপসংহার
২০ হাজার টাকা একটি শুরু মাত্র — আপনার পরিশ্রম, সৃজনশীলতা এবং অধ্যবসায়ই এটিকে সত্যিকারের সাফল্যে পরিণত করবে। বাংলাদেশে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ছোট পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করে নিজের ভাগ্য বদলাচ্ছেন। আজই সিদ্ধান্ত নিন, সঠিক পরিকল্পনা করুন এবং প্রথম পদক্ষেপটি নিন — কারণ সেরা সময় হলো এখনই।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত ও সরাসরি নির্বাচিত এমপিদের মধ্যে বেতন-ভাতা ও সুবিধার ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য নেই। সংসদ সদস্য পারিশ্রমিক ও ভাতা আদেশ ১৯৭৩ অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধিত আইনে সব এমপির জন্য সুবিধা একই।
বেতন ও নিয়মিত ভাতার বিষয়ে জানা যায়, প্রতি মাসে মূল বেতন ৫৫ হাজার টাকা। এর বাইরে নির্বাচনি এলাকা ভাতা ১২ হাজার ৫০০ টাকা, আপ্যায়ন ভাতা ৫ হাজার টাকা, পরিবহন ভাতা ৭০ হাজার টাকা এবং অফিস ব্যয় ভাতা ১৫ হাজার টাকা পান। পরিবহন ভাতার মধ্যে জ্বালানি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনও অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং বিবিধ ব্যয় ভাতা ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়, যা দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য নির্ধারিত।
সংসদ অধিবেশন বা কমিটির সভায় উপস্থিত থাকলে প্রতিদিন ৮০০ টাকা দৈনিক ভাতা ও ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা পাওয়া যায়। দায়িত্বস্থলে অবস্থান করলে দৈনিক ৭৫০ টাকা ও ৭৫ টাকা যাতায়াত ভাতা দেওয়া হয়। দেশের ভেতরে যাতায়াতের জন্য বছরে এক লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা বা সমমূল্যের ট্রাভেল পাস সুবিধাও পান এমপিরা। রেল, বিমান বা নৌপথে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড়গুণ ভাতা নির্ধারিত রয়েছে।
বড় সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে শুল্ক ও করমুক্ত গাড়ি আমদানির সুযোগ। একজন এমপি তার মেয়াদকালে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস শুল্ক ও ভ্যাট ছাড়াই আমদানি করতে পারেন এবং পাঁচ বছর পর আবারও একই সুবিধায় নতুন গাড়ি আনতে পারেন। চিকিৎসার ক্ষেত্রে এমপি ও তার পরিবার সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমমানের সুবিধা পান, পাশাপাশি মাসে ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতাও দেওয়া হয়। নিরাপত্তার জন্য রয়েছে ১০ লাখ টাকার সরকারি বীমা সুবিধা, যা দায়িত্ব পালনকালে দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে কার্যকর হয়। টেলিযোগাযোগ সুবিধায় বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগসহ মাসে ৭ হাজার ৮০০ টাকা দেওয়া হয়।
এছাড়া প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এমপিরা যেসব ভাতা পান তার সবকটিই আয়করমুক্ত। এছাড়া ঢাকার সংসদ ভবন সংলগ্ন ন্যাম ভবনে একটি আলিশান ফ্ল্যাটও বরাদ্দ পান তারা। বিগত সময়ে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় প্লটও পেয়েছেন এমপিরা।
গরমে যা অবশ্যই করবেন
১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
গরমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা। গরমে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি ও খনিজ লবণ বেরিয়ে যায়। এই ঘাটতি পূরণ না হলে ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়।
ডাক্তারের পরামর্শ: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ গ্লাস বা ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করতে হবে। যারা বাইরে কাজ করেন বা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন, তাদের আরও বেশি পানি পান করা উচিত। পানির পাশাপাশি ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও ওরাল স্যালাইন পান করলে শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকে।
২. হালকা ও সুতির পোশাক পরুন
গরমে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন। সুতির কাপড় শরীরের তাপ শুষে নেয় এবং ঘাম শুকাতে সাহায্য করে। গাঢ় রঙের পোশাক বেশি তাপ শোষণ করে, তাই গরমে সাদা বা হালকা রঙের পোশাক বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
আরো পড়ুন- দাঁত ব্রাশ: খাওয়ার আগে নাকি পরে? বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতামত
৩. রোদে বের হলে সুরক্ষা নিন
বাইরে বের হলে ছাতা, সানগ্লাস ও সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন। মাথায় টুপি বা ক্যাপ পরলে সরাসরি সূর্যের তাপ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ডাক্তারের পরামর্শ: ত্বক বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন প্রতিদিন বাইরে বের হওয়ার ২০ মিনিট আগে মেখে নেওয়া উচিত। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যতটা সম্ভব রোদে না থাকাই ভালো।
৪. মৌসুমি ফল ও সবজি খান
গরমে তরমুজ, বাঙ্গি, শসা, আম, লিচু ও পেঁপের মতো মৌসুমি ফল খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী। এগুলোতে প্রচুর পানি, ভিটামিন ও খনিজ থাকে যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৫. নিয়মিত গোসল করুন
গরমে দিনে একাধিকবার গোসল করা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ত্বকের ঘামজনিত সংক্রমণ রোধ করে। ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করুন।
৬. ঘরে ঠান্ডা পরিবেশ বজায় রাখুন
ঘরের জানালায় পর্দা টেনে রাখুন যাতে সরাসরি রোদ না আসে। সন্ধ্যার পর জানালা খুলে দিন যাতে ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করতে পারে। সম্ভব হলে ফ্যান বা এয়ার কুলার ব্যবহার করুন।
গরমে যা অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন
১. দুপুরের প্রখর রোদে বাইরে যাবেন না
দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে সূর্যের তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে বাইরে থাকলে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বেশি। একান্ত প্রয়োজন না হলে এই সময়ে বাইরে না যাওয়াই উত্তম।
ডাক্তারের পরামর্শ: মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেন, হিটস্ট্রোক হলে শরীরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে উঠে যায়, মাথা ঘোরানো ও বমিভাব হয় এবং অজ্ঞান পর্যন্ত হতে পারে। কেউ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত ছায়ায় নিয়ে গিয়ে ঠান্ডা পানি দিন এবং সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিন।
২. অতিরিক্ত চা, কফি ও কোলা পান করবেন না
চা, কফি ও কোলাজাতীয় পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে যা শরীর থেকে পানি বের করে দেয় এবং ডিহাইড্রেশন বাড়ায়। গরমে এই পানীয়গুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন বা পরিমিত পান করুন।
৩. রাস্তার খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন
গরমে রাস্তার পাশের খোলা খাবার খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এই খাবার খেলে ডায়রিয়া, বমি ও ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
ডাক্তারের পরামর্শ: গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টরা বলেন, গরমে ডায়রিয়া হলে দ্রুত শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে, বিশেষত শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে এটি বিপজ্জনক। তাই ঘরে তৈরি তাজা ও পরিষ্কার খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
৪. অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করবেন না
গরমে অতিরিক্ত ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। ব্যায়াম করতে চাইলে সকাল বা সন্ধ্যায় করুন এবং সঙ্গে পানি রাখুন।
৫. আঁটসাঁট ও সিনথেটিক পোশাক পরবেন না
সিনথেটিক বা নাইলনের পোশাক শরীরের ঘাম শোষণ করে না বরং তাপ আটকে রাখে। এতে ত্বকে ঘামাচি, ফুসকুড়ি ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।
৬. একসাথে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করবেন না
গরমে বাইরে থেকে এসে সঙ্গে সঙ্গে বরফঠান্ডা পানি পান করা উচিত নয়। এতে গলায় ব্যথা ও ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা থাকে। প্রথমে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করুন।
শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা
শিশু ও বয়স্কদের শরীর তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে কম সক্ষম। তাই তাদের বেলায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি।
ডাক্তারের পরামর্শ: শিশু বিশেষজ্ঞরা বলেন, গরমে শিশুকে ঘন ঘন বুকের দুধ বা পানি খাওয়ান এবং রোদে বের না করাই ভালো। গর্ভবতী নারীদের গরমে হাঁটাচলা সীমিত রাখুন, ঢিলেঢালা পোশাক পরুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। যেকোনো অস্বস্তি বা অতিরিক্ত গরম লাগলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
হিটস্ট্রোকের লক্ষণ ও প্রাথমিক চিকিৎসা
হিটস্ট্রোকের লক্ষণগুলো হলো — তীব্র মাথাব্যথা, বমিভাব, ত্বক গরম ও শুকনো হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট এবং অচেতন হয়ে পড়া।
প্রাথমিক করণীয়: আক্রান্ত ব্যক্তিকে ছায়ায় নিয়ে যান। গায়ের কাপড় ঢিলা করুন। মাথায় ও শরীরে ঠান্ডা পানি দিন। জ্ঞান থাকলে পানি বা স্যালাইন খাওয়ান এবং অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যান।
গরম মৌসুমে একটু সচেতন থাকলেই অনেক বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। গরমে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো মেনে চলুন, পর্যাপ্ত পানি পান করুন, সুষম খাবার খান এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয় এবং বাকি দুইজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারাও মারা যান। নিহতরা হলেন:
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার নেপথ্যে থাকা সম্ভাব্য কারণগুলো হলো:
বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, টেকনাফের এই পাহাড়ি এলাকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র অপহরণ ও মানবপাচারকারী চক্রের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
পুলিশ বর্তমানে ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং পাহাড়ের গহীন অঞ্চলে চিরুনি অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ওয়েবসাইট থেকে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ উপায় হলো বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা। গুগল অ্যাডসেন্স এক্ষেত্রে সবচেয়ে বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্যের পণ্য বা সেবা আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রচার করা। যখন কেউ আপনার দেওয়া স্পেশাল লিংক ব্যবহার করে কিছু কেনে, তখন আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন।
যখন আপনার সাইটে ভালো মানের ট্রাফিক আসা শুরু করবে, তখন বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের প্রচারণার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
আপনার যদি কোনো বিশেষ দক্ষতা থাকে, তবে তা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন। এটি আয়ের একটি স্থায়ী উৎস।
আপনার ওয়েবসাইটটি যদি একটি ব্লগের পাশাপাশি স্টোর হিসেবেও কাজ করে, তবে আপনি সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারেন।
আপনার কন্টেন্ট যদি অত্যন্ত মূল্যবান এবং এক্সক্লুসিভ হয়, তবে আপনি 'পে-ওয়াল' (Pay-wall) সিস্টেম চালু করতে পারেন।
আপনার ওয়েবসাইটটি আপনার অনলাইন পোর্টফোলিও হিসেবে কাজ করতে পারে। আপনি যদি রাইটিং, এসইও, গ্রাফিক ডিজাইন বা ওয়েব ডেভেলপমেন্টে দক্ষ হন, তবে আপনার সাইটের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট আকর্ষণ করতে পারেন। এটি সরাসরি বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের চেয়েও অনেক সময় বেশি লাভজনক হয়।
ওয়েবসাইট থেকে আয় করার পূর্বশর্ত হলো ভিজিটর। আর ভিজিটর পেতে হলে এসইও-র বিকল্প নেই।
১. কিওয়ার্ড রিসার্চ: আর্টিকেল লেখার আগে গুগলে মানুষ কি লিখে সার্চ করছে তা জানুন। (যেমন: "Online Income", "Smartphone Review in Bengali")।
২. অন-পেজ এসইও: টাইটেল ট্যাগ, মেটা ডেসক্রিপশন এবং হেডিং (H1, H2, H3) সঠিকভাবে ব্যবহার করুন।
৩. সাইট স্পিড: আপনার ওয়েবসাইট যেন দ্রুত লোড হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। গুগল ধীরগতির সাইট পছন্দ করে না।
৪. মোবাইল ফ্রেন্ডলি ডিজাইন: বর্তমানে অধিকাংশ ইউজার মোবাইল থেকে ওয়েবসাইট ভিজিট করে। তাই আপনার সাইটটি মোবাইল রেসপনসিভ হতে হবে।
৫. নিয়মিত আপডেট: নিয়মিত নতুন তথ্যবহুল আর্টিকেল পোস্ট করলে গুগল সার্চ রেজাল্টে সাইটের অবস্থান উন্নত হয়।
একটি ওয়েবসাইট থেকে আয় করার জন্য টেকনিক্যাল জ্ঞানের চেয়েও বেশি প্রয়োজন পরিশ্রম করার মানসিকতা। আপনি যদি মানসম্মত কন্টেন্ট উপহার দিতে পারেন এবং সঠিক এসইও কৌশল অনুসরণ করেন, তবে অনলাইন থেকে আয়ের স্বপ্ন অবশ্যই পূরণ হবে। আজই আপনার পছন্দের নিশ (Niche) বা বিষয় নির্বাচন করে কাজ শুরু করে দিন।
মনে রাখবেন: সফলতার কোনো শর্টকাট নেই। গুণগত মান বজায় রাখলে টাকা আপনার পেছনে দৌড়াবে।