স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে ১২৩৬ জন হামের লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়েছেন। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ২২৪ জনের দেহে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১৩৯৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ৯ হাজার ৮৮৩ জন লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিভাগীয় পরিসংখ্যান ও মৃত্যুহার:
সরকারের জরুরি পদক্ষেপ:
দেশে হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গত শুক্রবার থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। সারা দেশের ৩০টি উপজেলাকে ‘হামের হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করে এই জরুরি টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের দ্রুত টিকা দেওয়ার এবং কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের বর্তমান পরিস্থিতি এবং উচ্চ মৃত্যুহার জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছে।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, “আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।” তার এই বক্তব্যে সরাসরি ইরানের বর্তমান সরকার উৎখাত বা ‘রেজিম চেঞ্জ’-এর স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, “কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।” পোস্টের শেষে তিনি ইরানের সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে লিখেছেন, “ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!”
বিদ্যমান পরিস্থিতির মূল বিষয়গুলো:
বিশ্বের নজর এখন আজ রাতের ওপর। ট্রাম্পের এই ‘সভ্যতা শেষ’ করে দেওয়ার হুমকি কেবল বাগাড়ম্বর নাকি এক ভয়াবহ পারমাণবিক বা সর্বাত্মক যুদ্ধের পূর্বাভাস, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। তেহরান অবশ্য এখন পর্যন্ত নতি স্বীকারের কোনো লক্ষণ দেখায়নি, বরং যেকোনো হামলার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এক অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য তথা পুরো বিশ্ব।
এই ম্যাচটি বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে কেন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, তার পেছনে রয়েছে কয়েকটি বড় কারণ। দীর্ঘ পথচলায় এটিই হবে কোনো ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ম্যাচ। শুধু তাই নয়, ইউরোপের মাটিতেও এটি বাংলাদেশের ফুটবলারদের জন্য প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে, সান মারিনোর ফুটবলেও এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে যোগ হবে; কারণ তারা তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো এশীয় দেশের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে।
বর্তমানে ফিফার বিশ্ব র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বাংলাদেশ ১৮১তম অবস্থানে রয়েছে। বিপরীতে সান মারিনো ২১১তম অবস্থানে থেকে তালিকার তলানিতে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তারা মাঠের পারফরম্যান্সে চমক দেখাচ্ছে। বিশেষ করে উয়েফা নেশনস লিগে লিচেনস্টাইনকে ১-০ গোলে হারিয়ে তারা বিশ্ব ফুটবলের আলোচনায় এসেছিল। উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এটি ছিল তাদের ফুটবল ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় জয়। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও ঘরের মাঠে সান মারিনো বাংলাদেশের জন্য কঠিন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
বিএফএফ জানিয়েছে, এই ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচের ভেন্যু, শুরুর সময় এবং সরাসরি সম্প্রচার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীদের জন্য এই ইউরোপ সফর একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হবে বলে আশা করছে ফেডারেশন। জাতীয় দলের কোচ ও খেলোয়াড়রা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফুটবলের বড় মঞ্চে বাংলাদেশের পদচারণা আরও সুসংহত হবে বলে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, সিএনএন তূর্কে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গভর্নর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুলিশের একটি দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ দ্রুত পাল্টা গুলি চালালে একজন ‘সন্ত্রাসী’ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আরও দুইজনকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়েছে। গভর্নরের দাবি, পুলিশের তাৎক্ষণিক ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে একটি বড় ধরনের নাশকতামূলক পরিকল্পনা নস্যাৎ করা এবং প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম টিআরটি তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল যে, তিন হামলাকারীর মধ্যে দুইজন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম নিহতের সংখ্যা তিনজন বলেও দাবি করছে। তবে গভর্নর কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত একজন নিহতের তথ্যই নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যকার কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনার পর কনস্যুলেট এলাকাটি নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছে এবং জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। হামলাকারীদের পরিচয় বা তারা কোনো নির্দিষ্ট সংগঠনের সদস্য কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই হামলার নেপথ্যের কারণ উদঘাটন করার চেষ্টা করছে তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আপাতত ইস্তাম্বুল জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগের শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি দেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্য খাতের কেনাকাটায় নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, “আমাদের টেন্ডার প্রক্রিয়াগুলো এমনভাবে সাজানো হয় যাতে নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানি কাজ পায়। উদাহরণস্বরূপ, বিশ্বে হামের টিকার ২০টি ভেরিয়েন্ট থাকলেও আমাদের এখানে সুনির্দিষ্ট একটি ভেরিয়েন্টের কথা উল্লেখ করে দেওয়া হয় যাতে বিশেষ কেউ লাভবান হয়। এভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আধুনিক বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের সুফল থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।” তিনি জানান, বিভাগীয় পর্যায়ে কেনাকাটার দুর্নীতির পথগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং আগামী অর্থবছর থেকে সেগুলো পুরোপুরি বন্ধের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও মশা মারার ওষুধের অকার্যকারিতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “ওষুধের মান ঠিক থাকলেও তা স্প্রে করার সময় কেরোসিন বা পানি মিশিয়ে পাতলা করে ফেলা হয়। সঠিক অনুপাতে ওষুধ দেওয়ার জন্য আমাকে একবার ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। এই অমানবিক দুর্নীতির কারণেই স্প্রে করলেও মশা মরে না।”
হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রোগীদের খাবারে তেলাপোকা পাওয়া যাওয়া বা হাসপাতালের ভেতরে হকারদের নোংরা খাবার বিক্রির মতো ঘটনাগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি। এছাড়া চিকিৎসকদের দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি।
জনস্বাস্থ্যের জন্য পরিবেশ দূষণকে অন্যতম প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে মন্ত্রী বলেন, একদিকে মানুষ চিকিৎসা নিচ্ছে, অন্যদিকে যত্রতত্র ব্যাটারি পোড়ানো ও কারখানার ধোঁয়ায় তারা ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। এই চক্র ভাঙতে পরিবেশ রক্ষা ও চিকিৎসার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
করোনাকালে চিকিৎসকদের অবদানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী আরও বলেন, “আপনারা অত্যন্ত দক্ষ, কিন্তু এখন নৈতিকতার সঙ্গে পেশাদারত্ব বিনিয়োগ করা জরুরি। নৈতিকতা ছাড়া কোনো বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনই মানুষের কাজে আসবে না।” অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তারা মন্ত্রীর এই সংস্কার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিসিবির গত নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং গঠনতান্ত্রিক বিধিবিধান যথাযথভাবে পালিত না হওয়ায় তা আইনগতভাবে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। দেশের ক্রিকেটে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান বোর্ড ভেঙে দেওয়া অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। ক্রীড়া পরিষদ মনে করছে, এই পদক্ষেপের ফলে বিসিবির প্রশাসনিক কাঠামোতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
নতুন গঠিত ১১ সদস্যের এই অ্যাডহক কমিটিতে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার, ক্রীড়া সংগঠক এবং আইনি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালকে। তার নেতৃত্বে কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম এবং সাবেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ও আতহার আলী খান।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহীম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম বাবু এবং ফাহিম সিনহা। এই কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বিসিবির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ তৈরি করবে।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী কোনো দেশের ক্রিকেট বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ থাকলেও, ক্রীড়া পরিষদ তাদের চিঠিতে আইনি অসংগতি ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার ত্রুটিগুলো তুলে ধরেছে। তারা আইসিসিকে আশ্বস্ত করেছে যে, এই পদক্ষেপটি মূলত আইনি জটিলতা নিরসন এবং দীর্ঘমেয়াদে বোর্ডের স্বায়ত্তশাসন রক্ষার জন্যই নেওয়া হয়েছে। আইসিসির পক্ষ থেকে এই পরিবর্তনের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অ্যাডহক কমিটির মূল চ্যালেঞ্জ হবে থমকে থাকা ঘরোয়া লিগগুলো পুনরায় চালু করা এবং জাতীয় দলের আন্তর্জাতিক সূচি ও চুক্তির বিষয়গুলো সমন্বয় করা। নবনিযুক্ত সভাপতি তামিম ইকবাল শিগগিরই বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে জানা গেছে। ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাঠের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আসার ফলে বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক নতুন যুগের সূচনা হতে পারে। তবে আইসিসি এই কমিটিকে বৈধতা দেয় কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পথচলা।
দেশে করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিন কেনা বাবদ এ পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দশম দিনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে করোনা ভ্যাকসিন এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামাদি আমদানির জন্য সরকার মোট ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করেছিল। এই বিপুল পরিমাণ বরাদ্দ থেকে সিংহভাগ অর্থই ব্যয় হয়েছে সরাসরি ভ্যাকসিন ক্রয়ের কাজে।
ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আনুষঙ্গিক ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, টিকাদানে ব্যবহৃত সিরিঞ্জ কেনায় ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া সারা দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার জন্য পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে আরও ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা ব্যয় হয়েছে।
ভ্যাকসিন আমদানিতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কি না, সংসদ সদস্যের এমন প্রশ্নের জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে ভ্যাকসিন কেনা বা সংরক্ষণ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অনিয়মের তথ্য বা অভিযোগ আসেনি। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার সকল কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। যদি ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়, তবে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সময়োপযোগী এবং কার্যকর পদক্ষেপের কারণেই দেশ দ্রুত অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।