সিগারেটে মূল্যস্তর প্রথায় কোম্পানিগুলো রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে

মুক্তবার্তা ডেস্ক:সিগারেটের উপর মূল্যস্তর প্রথা রাখা যাবে না। মূল্যস্তর প্রথায় কোম্পানিগুলো রাজস্ব ফাঁকি দেয়। তামাকে কর ব্যক্তির আয়ের চেয়ে বেশি হারে বাড়াতে হবে। বাজেটে তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতে বিকল্প চাষে পুঁজি, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ রাখা ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের ব্যবহার হ্রাস করতে আগামী বাজেটে তামাক পণ্যে কার্যকরভাবে সুনির্দিষ্ট কর আরোপের দাবিতে ‘কেমন তামাক কর চাই’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খলীকুজ্জমান বলেন, ১ শতাংশ স্বাস্থ্য সারচার্জ তহবিলে ৬০০ কোটি টাকা জমা হয়েছে। কিন্তু এ টাকার ব্যবহার বিধিমালা না থাকায় খরচ করা যাচ্ছে না। দ্রুত বিধিমালা করা হলে এ টাকা কাজে লাগবে। প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গড়ার কথা বলেছেন। ২০৩০ সালে তো এসডিজির শেষ বছর। পারলে ২০৩০ সালের আগেই কমিয়ে আনা উচিত।

প্রজ্ঞা ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্সের যৌথ উদ্যোগে তামাকবিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি), ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা), তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বেশ কিছু দাবি করে।

Related posts

Leave a Comment