বন্ধুর শেষকৃত্যে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বোল্ট

মুক্তবার্তা ডেস্ক:তাদের বেড়ে উঠা একই সঙ্গে। অ্যাথলেটিকসের জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও একই সঙ্গে জ্যামাইকা দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পরে অবশ্য জার্মেইন মেসন বেছে নিয়েছেন তার পিতৃভূমি গ্রেট ব্রিটেনকে। উসাইন বোল্ট জ্যামাইকার হয়েই আলো ছড়িয়েছেন ট্র্যাকে, হয়েছেন কিংবদন্তি।

দুজনের দেশ আলাদা হয়ে গেছে, খ্যাতিতেও আকাশ-পাতাল ব্যবধান। কিন্তু বন্ধুত্বটা অটুট ছিল সব সময়ই। সেই বন্ধুত্বের অবসান হয়েছে গত মাসে মেসনের মৃত্যুতে। পরশু প্রিয় সেই বন্ধুর শেষকৃত্যে বোল্টও তাই কেঁদেছেন অঝোরে।

পরশু জ্যামাইকার পোর্টল্যান্ডে প্রিয় বন্ধুর শেষকৃত্যে কাঁদলেন বিশ্বের দ্রুততম মানবl পরশু জ্যামাইকার পোর্টল্যান্ডে প্রিয় বন্ধুর শেষকৃত্যে কাঁদলেন বিশ্বের দ্রুততম মানবl জ্যামাইকায় বেড়ে ওঠা অ্যাথলেট মেসন ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে ব্রিটেনের হয়ে রুপা জিতেছিলেন হাই জাম্পে। ওই অলিম্পিক দিয়েই ইতিহাসে নাম লেখানো শুরু বোল্টের।

এরপর জ্যামাইকান স্প্রিন্টার এগিয়েছেন কিংবদন্তি হওয়ার পথে। মেসন হারিয়ে গেছেন পাদপ্রদীপের আলো থেকে। তবে গত এপ্রিলে হঠাৎই আবার সংবাদ শিরোনাম হলেন দুঃখজনকভাবে। জ্যামাইকায় এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাত্র ৩৪ বছর বয়সেই সবার কাছ থেকে চিরবিদায় নিলেন এই অ্যাথলেট।

খবরটা শুনে ভীষণ ভেঙে পড়েন বোল্ট। নিজের হাতে কবর খুঁড়েছেন বন্ধুর জন্য। মেসনের শেষকৃত্যেও সবচেয়ে বেশি আবেগাপ্লুত মনে হয়েছে তাকে। কিংসটনের পার্ক সেভেন্থ ডে চার্চে সবার স্মৃতিচারণা শুনতে শুনতেই বোল্টের দুচোখ হয়ে গিয়েছিল সিক্ত। শেষ পর্যন্ত আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। ভেঙে পড়েছেন কান্নায়।

Related posts

Leave a Comment