‘নারীর ক্ষমতায়নই শান্তি ও নিরাপত্তার পূর্বশর্ত’

মুক্তবার্তা ডেস্ক:জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে ২০০০ সালে বাংলাদেশের গৃহীত প্রাথমিক পদক্ষেপের ফসল হিসেবেই নারীর শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ে জাতিসংঘের ল্যান্ডমার্ক রেজুলেশন ১৩২৫ গৃহীত হয়। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে নারী অধিকার রক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নই আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তার আবশ্যিক পূর্বশর্ত।

শুক্রবার জাতিসংঘ (ইউএন) সদর দফতরে কমিশন অন দ্য স্ট্যাটাস অব উইমেনের (সিএসডব্লিউ) ৬১তম সেশনের শেষদিনে এক সাইড ইভেন্টে ইউএন-এ নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এসব কথা বলেন।

‘লেভারাজিং উইমেনস পোটেনসিয়াল ফর সাসটেইনিং পিস’ শীর্ষক টেকসই শান্তি বিনির্মাণে নারীর ভূমিকা বিষয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ ইভেন্টে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের সঙ্গে সহ-আয়োজক ছিল কানাডা মিশন। এতে সহযোগিতা করে ইউএন উইমেন ও জাতিসংঘের পিস বিল্ডিং সাপোর্ট অফিস।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘আমরা দেশের সকল স্তরের নারীদের জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে নারীরা স্বাধীনভাবে কাজ করবে, সমাজে অবদান রাখবে এবং স্থায়ী শান্তির পথে যে সব বাধা রয়েছে তা দূর করে জাতীয় জীবনে শান্তির সংস্কৃতি ও অহিংসাকে আরও বেগবান করবে।

‘৪৫ বছর আগের সদ্য স্বাধীন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতির বাংলাদেশকে আমরা এ পর্যায়ে আনতে পেরেছি জাতি গঠন ও জাতীয় উন্নয়নে নারীর কৌশলী ভূমিকার কারণে। সমাজে নারীর ক্রম অগ্রগতির ক্ষেত্রে গৃহীত প্রতিটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগে বাংলাদেশ সবসময়ই সামনের সারিতে থেকে লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে, যা আজ প্রমাণিত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বদাই নারীদের মা, শিক্ষক, সেবাদানকারী, সমাজকর্মী, জনপ্রতিনিধি, উদ্যোক্তা ও কর্মী এবং সমাজ পরিবর্তনের প্রতিনিধি হিসেবে বহুমূখী ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত

Related posts

Leave a Comment