‘ঢাকা ওয়াসা দক্ষিণ এশিয়ার কোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে পিছিয়ে নেই’

মুক্তবার্তা ডেস্কঃ ঢাকা ওয়াসা দক্ষিণ এশিয়ার সেবার খাতের কোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে পিছিয়ে নেই বলে দাবি করেছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান।

রবিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত বিল কালেকশন পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

তাকসিম এ খান বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াসা কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা ওয়াসাকে একটি গতিশীল, টেকসই এবং গণমুখী বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ঢাকা ওয়াসা দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এখন আর পিছিয়ে নেই। এটা শুধু আমাদের কথা না। এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক, জাইকা, এ এফডিসহ যতগুলো ডেভলমেন্ট পার্টনার আর্থিক খাতে কাজ করে, তাদের সবার কথা।’

সংস্থাটির এই উন্নয়ন সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় এলেন, তখন তার অনেকগুলো স্বপ্ন, ভিশন ছিল। সেই ভিশন বা স্বপ্নের বিষয়ে আরও আগে থেকে যদি আমরা আসি, তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা। তারই বর্তমান পরিবর্তনের ধারায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের দেখিয়েছেন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন। আমাদের দেখিয়েছেন ভিশন ২০২১, ভিশন ২০৪১। সেই সোনার বাংলার তৈরিতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং উনার সরকারের আমাদের মন্ত্রী মহোদয়রা। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের গতিশীল, টেকসই এবং গণমুখী করতে কাজ করছে ঢাকা ওয়াসা।’

গ্রাহকের থেকে পানির বিল উত্তোলনে ওয়াসার কার্যক্রমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরে ঢাকা ওয়াসার গ্রাহক সবাই। আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের সেবাকে কীভাবে আরও বেশি গণমুখী করা যায়। আমরা ডিজিটাল করার চেষ্টা করছি। আমাদের এই কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ব ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।’

ওয়াসা এমডি বলেন, ‘২০১১ সালে আমরা যখন বললাম, শুধু এক জায়গায় বিল দেওয়া চলবে না। ২০১২ সালে প্রথম আমরা একটা ব্যাংককে পেয়েছিলাম, প্রথম তাদের সঙ্গে চুক্তি করি। তাদের চারটি শাখা ছিল। যেকোনো শাখায় বিল দেওয়া যাবে। সেই যাত্রা থেকে শুরু করে এখন মোট ৩৪টি ব্যাংকের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা চুক্তি আছে। আমাদের সার্ভারে তাদের এক্সেস আছে। প্রত্যেকটা মানুষের বিল ওয়েবসাইট আছে। কাগজের প্রয়োজন নেই। আমাদের এখানে এসে শুধু অ্যাকাউন্ট নাম্বারটা বললেই বিল দেখতে পাবেন। আমি সব ব্যাংককে ধন্যবাদ জানাই।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ৩৪টি ব্যাংক ও পাঁচটি মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।

Related posts

Leave a Comment