গাজীপুরে হচ্ছে বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম ডেটা সেন্টার

মুক্তবার্তা ডেস্ক:তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে যে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি হচ্ছে ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী তা হবে বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম ডেটা সেন্টার।

গত সোমবার রাতে কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির সম্মেলনকক্ষে মতবিনিময় সভায় শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে আমরা দেশের সব সরকারি তথ্য সংরক্ষণ করার পরও আমরা প্রাইভেট সেক্টরের অনেক তথ্য রাখতে পারব। সবচেয়ে বড় কথা হলো আমাদের ই-সার্ভিস, আমাদের গার্মেন্টে যত সার্ভিস তার ৪০ শতাংশ অ্যাভেইলঅ্যাবল করতে পেরেছি। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় টার্গেট দিয়েছেন যে, ২০২১ সাল নাগাদ আমাদের ৯০ শতাংশ সরকারি সেবা অনলাইনে থাকবে। এই সবগুলো সেবা আমরা সংরক্ষণ করতে পারব আমাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে। আশা করছি এ ডেটা সেন্টারের কাজ ২০১৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারব।

মত বিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পে নিযুক্ত বিভিন্ন কর্মকর্তাদের কাজের অগ্রগতি জানতে চান। এ সময় হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এমদাদুল হক, বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির প্রকল্প পরিচালক এএনএম সফিকুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে প্রকল্প পরিচালক আবু সাঈদ চৌধুরী সামগ্রিক কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে সবাইকে জানান।

আয়োজকেরা জানান, ক্লাউড কম্পিউটিং ও জি-ক্লাউড প্রযুক্তির এই ডেটা সেন্টারের নির্মাণ ব্যয় হবে ১৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে চীনা এক্সিম ব্যাংকের সহায়তায় ১৫৪ মার্কিন ডলার এবং সরকারি খাত থেকে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন হচ্ছে। বিশালাকার এই ডেটা সেন্টারের সর্বমোট ৯ এমভিএ লোডের রিডান্ডেন্ট লাইনসহ সমৃদ্ধ ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা থাকছে। এ ডেটা সেন্টারের জন্য আন্তর্জাতিক মানের দ্বিতল ভবন তৈরি হচ্ছে। এরই মধ্যে নির্মাণ কাজের ৫০ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।

ডেটা সেন্টারের অপারেশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশীয় ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক আপটাইম ইনস্টিটিউট থেকে টায়ার ফোর গোল্ড ফল্ট টলারেন্ট সার্টিফিকেশন অর্জনের মাধ্যমে এই প্রকল্পের সফল সমাপ্তি হবে।

Related posts

Leave a Comment