এখনও নিহত শ্রমিকের লাশ নিতে আসেনি স্বজন

মুক্তবার্তা ডেস্ক:পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতি চলাকালে রাজধানীর গাবতলীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত শ্রমিকের মরদেহ নিতে আসেনি স্বজনরা। বুধবার থেকেই মরদেহটি রাখা ছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে। ময়নাতদন্ত শেষে পরে মরদেহটি নিয়ে যায় পুলিশ। বাহিনীটিই তা স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেবে।

বৃহস্পতিবার শ্রমিক শাহিনুরের ময়নাতদন্ত করেন ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে একটি দল। পরে তিনি বলেন, নিহতের বুক ও পেটে অজস্র গুলি ছিল। গুলির আঘাতেই তার মৃত্যু হয় বলেই নিশ্চিত করেছেন এই চিকিৎসক।

সড়ক দুর্ঘটনার মামলায় এক বাস চালকের যাবজ্জীবন কারাদ- এবং অন্য একটি ঘটনায় এক ট্রাক চালকের মৃত্যুদ- দেয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে কর্মবিরতি পালন করে পরিবহন শ্রমিকরা। আর মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার দিনের প্রথম ভাগ পর্যন্ত দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয় গাবতলী এলাকায়।

এক পর্যায়ে শ্রমিক শাহ আলমের মরদেহ উদ্ধার হয়। শুরুর দিকে পুলিশ কারও মৃত্যুর খবর অস্বীকার করলে পরে তা স্বীকার করে। দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক মহেশ চন্দ্র শীল বুধবার সন্ধ্যায় সাতটার দিকে সুরহতাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।

মহেশ চন্দ্র শীল জানান, ‘শাহ আলমের বাড়ির কেউ মরদেহ নিতে আসেনি। এখন লাশ আমরাই তার স্বজনদের কাছে পৌছে দেবো।’

শাহ আলমের বাড়ি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামে। বার বাবার নাম শাহের উদ্দিন। তিনি বৈশাখী পরিবহনের চালক হিসেবে কাজ করতেন।

Related posts

Leave a Comment